May 27, 2015

#ChildLabor is so uncool! (In advertisements only)

Picourtesy : Twitter

Just a single thud on the table and immediately after that, I saw a little dark kid fleeing into the kitchen. In absolute wonder, I kept looking for those little dark hands and big bright eyes. “Abhi pichhle mahine hi rakkha hai kaam pe”, my aunty explained. Ok, so that little kid is the new “servant” of the house.

After providing us with glasses of water it was time for Raghu to serve us lunch. Yes, apart from the servant’s tag, that little kid with dark skin (and probably a dark future) has a name as well. Surprising! Never knew that a 12 year old, thin like skeleton boy can cook so well!
We enjoyed the meal while Raghu enjoyed washing aunty-ji’s sari. C’mon! He’s a servant. It’s his duty to wash and cook for his master.

Aunty-ji is actually very proud of the fact that she “pays him for all these.” Pays what? Peanuts? Now, whatever money Raghu and many more like him earn is actually of no use to them. That money will either be used to quench the thirst of some drunkard father or to feed the never-ending family. What is left for Raghu himself? Food? Clothes? Education?

This is not right. Right? So we, as the conscientious citizens, must protest against this. But how? May be through Facebook. Or Twitter. Or Instagram. Hey! We can create hashtags like #StopChildLabor or #SaveTheChildren. We can also like, comment, share and tweet each and every post protesting child labor.

A few weeks back, when I saw a bunch of compassionately caring activists protesting against the “racist” ad campaign of Kalyan Jewelers, my faith in humanity (and in Internet of course) was restored. Though, when initially I spotted the hashtag #KalyanJewelers on Twitter I thought it’s some kind of an ad campaign. But no… It was actually a protest. Wise indeed! (psst… Is it true that bad publicity is also publicity?)

Mrs. Beguiling Bachchan disassociated herself from the advertisement. Kalyan Jewelers gravely regretted their “creative” feat and withdrew the ad instantly. But Raghu still cooks and washes at my aunt’s place. Not only one Raghu, but millions of dark, brown, grey, dirty Raghus and Pinkys work at some household, restaurant or factory across our mahan Bharat. They even get trafficked! I’m sure, something is wrong with the Internet. After all, the Facebook and Twitter protest is meant to work.

You know why the protest isn’t still working? Because most of us are too busy criticizing discriminatory VIRTUAL ads that promote child labor over the cup of a masala chai served by some REAL LIFE Raghu.  Unfortunately, this is still the reality in innumerable corners of India. Sometimes I wonder how active is Kailash Satyarthi on Facebook, Twitter or Instagram?

May 11, 2015

মোলেস্টেশান

ছবি সৌজন্য : গুগল
“দাদা একটু সরে দাঁড়ান।”

শব্দগুলো ঠিকমত বোধগম্য হওয়ার আগেই একজন মোটাসোটা মহিলা কোথা থেকে যেন হুড়মুড়িয়ে এসে রোগাসোগা ছেলেটিকে সরিয়ে তার জায়গায় দাঁড়িয়ে পড়ল।
ভারী ব্যাগটা না ফোন? কোনটা কী ভাবে ব্যলান্স করবে ছেলেটি ঠিক বুঝতে পারছিল না। ভিড়ের চোটে ধাক্কা খেয়ে ছেলেটি আরও খানিকটা পিছিয়ে গেল। পিছিয়ে যেতেই আরও এক বিপদ...

“এটা কী হচ্ছে দাদা?” জনৈক নারীকন্ঠের তীব্র গর্জন ভেসে এল ছেলেটির উদ্দেশ্যে।
“সরে দাঁড়ান বলছি!” আবার সেই নারীকন্ঠের ঝাঁঝালো সুর।

বাসে বেশ ভিড়। কোথাও সরার, ঘোরার বা যাওয়ার বিন্দুমাত্র জায়গা নেই। কিন্ত‌ু এখানে যে দাঁড়ানো যাবে না। পাছে মোলেস্টেশানের চার্জ লেগে যায়। ছেলেটি যে আদৌ মোলেস্টার নয়।
           
***
ছবি সৌজন্য : গুগল

একটু একটু ঢুলুনি আসছে... শরীরটা মোটে ভাল নেই যে। হঠাৎ মনে হল সামনে একটা ছায়ামূর্তি এসে দাঁড়ালো।
“দাদা লেডিস সীট।”
পা দুটো কাঁপছে অল্প অল্প, কিন্ত‍ু সীট তো ছাড়তেই হবে...
          
***

এই নিয়ে... না জানি কতবার রুমির মেসেজটা পড়ল সুমিত। এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। এ কী? সুমিতের চোখে জল!!! ছেলেরা আবার কাঁদে নাকি! ব্রেক-আপ তো কত হয়! তা বলে সবাই কী কান্নাকাটি করে?
সুমিত যে বেকার তাতে রুমির কি দোষ? শুধু শুধু ভালবাসার খাতিরে রুমি অমন এক “ওয়েল সেটল্ড্” পাত্রকে হাতছাড়া করবে? অসম্ভব!

সুমিত আর কান্না থামিয়ে রাখতে পারছে না। মোলেস্টেড? হয়ত মেন্টালি...

***

রোজই মালা ট্রেনে ওঠে। পয়সা চায়। কেউ পয়সা দেয়, কেউ দেয় না। কিন্ত‌ু যেটা সবাই দেয় তা হল অদ্ভুত দৃষ্টি।  ওর অদ্ভুত পোশাক, চুলের বেণী, বেমানান গলার স্বর কারোরই যে নজর এড়ায় না। দেখে কেউ মিচকে হাসে। কোথাও থেকে ভেসে আসে ফিসফাস। মালার কানে সবই যায়। কিন্ত‍ু এসবে আর পাত্তা দেবে না বলেই ঠিক করেছে সে।

মাধব থেকে মালা হয়েছে বলেই কী বিটকেল রসিকতার স্বীকার হতে হয়? হয়ত তাই। কিন্ত‍ু মালার তাতে দুঃখ নাই। মানসিক এই মোলস্টেশান মালা আর সইবে না। মন থেকে ঠিক করেই নিয়েছে। এখন আর যে যাই বলুক, যতই ব্যঙ্গ করুক, মালা শুধুই হাসবে।

May 3, 2015

ফ্যাশানের ফ্যাশাদে...

চকচকে একটা টাক এগিয়ে আসছে। সে এমন সুপার সাইন যাকে অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা কোন তপস্বী ঋষি মুনিরও নাই। তা ভাল, বয়স যাই হোক ব্রাইট কালার্ড শার্ট আর ওয়েল মেনটেইন্ড টাক তো কেউ চাইলে শো অফ করতেই পারে। কিন্ত‍ু চমকটা তো সেখানে নয়...

সেই সুপার সাইনি টাকমাথা ভদ্রলোকটি যখন আমার পাশে এসে মেট্রোর দরজার দিকে মুখ করে ঘুরে দাঁড়ালেন... চমকটা পেলাম তখন। চকচকে সেই টাকের পিছনে কিছু কেশরাশিও অর্ধচন্দ্রাকারে উপস্থিত, যাতে কিনা সজত্নে বারগ্যান্ডি কালার করা।

তারপর মেট্রোর দরজা খুললো ও সেই “স্টাইলিশ” ভদ্রলোক গিরিশ পার্কে নেমে গটগট করে চলে গেলেন। কিন্ত‍ু নিজের টাক ও রঞ্জিত কুন্তলের উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি আমার মগজে ছেড়ে গেলেন। এরেই বোধ হয় কয় মার-কাটারি ফ্যাশান।

ফ্যাশান কিন্ত‌ু আরও আছে... এই যেমন কোন এক শ্যামবর্ণা সুন্দরীর গাঢ় নীল রঙা ওড়না আর চুলের বেণীতে হলুদ গোলাপ। অথবা রিপড্ জিন্সের সাথে খাদির কুর্তি আর কপালে একটা টিপ।
ছবি সৌজন্য : গুগল বাবাজি

নেহেরু জ্যাকেটের ছোঁয়া কিন্ত‍ু মোদির শহর থেকে মমতার শহরেও লেগে গ্যাছে।
        
ছবি সৌজন্য : গুগল বাবাজি
আর কেউ যদি অতীব উৎসাহে ট্যাটু করায়, with some Sanskrit phrase? দেখার মত হবে বটে।
                                            
কলিকাতার এত রঙ্গ, ফ্যাশানের ফ্যাশাদে ফেসেছে বঙ্গ!

হোক সে পার্টি মুড, কলেজ পাড়া বা আপিসের তাড়া, আজকাল এতরকম ফ্যাশানেবল চমক চোখে পড়ে যে মাঝে মাঝে মনে হয় কলকাতার এ হল কী। কখনও ইম্প্রেসিভ, কখনও বা ডিপ্রেসিভ(এই যেমন সেই টাকধারী কাকু/জেঠু)। এ কেমনতর মায়া?

বাঙালি ধুতি আর আটপৌড়ে শাড়ি ছেড়েছে বহুদিন হল, কিন্ত‍ু এমন জাগরণ যে দেখতে পাব ভাবতেই পারিনি। আসলে পরিবর্তনের সময়টা এতটাই বেশি লাগিয়ে ফেললো যে...

যাক গে, সেসব গিলা-সিকওয়া না হয় থাক, আপাতত কলকাতার এই নতুন ফ্যাশানে মজা যাক।

পরিবর্তনটা তো ফাইনালি হল, নাহয় পোশাকেই সই। তবে এ ভেবো না যে বাঙালির পোশাক থেকে বাবু কালচার বিদায় নিয়েছে। এখনো কিন্ত‌ু আমাদের লুপ্তপ্রায় টিপিকাল বাবুরা ও বিবিরা Priory of Sion-এর মত কোন সিক্রেট সোসাইটি রুপে বিদ্যমান। যদিও তারা সিক্রেট সোসাইটি রুপে চলাফেরা করেন না। একটু চোখ কান খোলা রাখলে উজ্জ্বল দিবালোকেই তাঁদের দেখা যাবে। পুরনো আর নতুন মিলিয়ে এইভাবেই হয়ত চলছে আর চলবে আমাদের ফ্যাশান।